ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত জেনে নিন

প্রিয় পাঠক ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত সেই সুন্নতগুলো জানার জন্য আপনি অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছেন কিন্তু কোথাও এর সদুত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না । আমি আপনাকে স্টেপ বাই স্টেপ ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত জানানোর চেষ্টা করব। যদি আপনি ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত ও ঘুমাতে যাওয়ার আগে যে কাজগুলো করতে হবে তা জানতে চান ।তাহলে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন আপনার কাঙ্খিত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত জেনে নিন

প্রিয় পাঠক এই আর্টিকেলে শুধুমাত্র ঘুমার আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত এ নিয়েই আলোচনা করা হয় নাই ।এছাড়াও আরো অনেক পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছ।যদি আপনি সে পয়েন্টগুলো জানতে চান ।তাহলে প্রতিটা পয়েন্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত জেনে নিন

ভূমিকা

মানুষ সুস্থ থাকার ও সুন্দর থাকার জন্য যে নেয়ামতগুলো আল্লাহতালা দান করেছেন ।তার মধ্যে একটি বড় নেয়ামত ঘুম। তিনি এই নেয়ামত দান করে আমাদের ওপরে বহুত বড় দয়া করেছেন। এই শান্তিদায়ক ঘুম সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন তোমাদের ঘুমকে ক্লান্তি দূরকারি আরামদায়ক করেছি (সূরা নাবা আয়াত -৯)। তিনি নিজের রহমতে তোমাদের জন্য দিন ও রাত কে করেছেন , যাতে তোমরা রাতে বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারো ও দিনে তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করতে পারো। এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারে (সূরা ওয়াসা ফ আয়াত-৭৩) ।
সারাদিন মানুষ যখন কাজ করার পরে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায। তখন যদি কেউ ঘুম পেয়ে নেই তাহলে তার সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যাই। অতএব আমাদের ঘুমানোর আগে আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত সেগুলো জানা উচিত জানা উচিত। আর এই আর্টিকেলে ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত তা নিয়েই তা নিয়ে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত

ঘুমানোর পূর্বে বিছানাকে সুন্দরভাবে ঝেড়ে ঘুমানো 
  • দরজা বন্ধ করে ঘুমানো 
  • ওযু করে অজু অবস্থায় ঘুমানো 
  • সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া 
  • সূরা কাফিরুন সূরা ফালাক সূরা ইখলাস সূরা নাস পড়া
  • সূরা মূলক পড়া
  • চোখে সুরমা লাগিয়ে ঘুমানো 
  • ডান কাঁথ হয়ে ঘুমানো 
  • দোয়া পড়ে ঘুমানো
  • ঘরের বাতি নিভে ঘুমানো 
  • ৩তসবি পড়ে ঘুমানো
উপরোক্ত পয়েন্টগুলো বিস্তারিত পড়ুন
বিছানা ঝেড়ে ঘুমানো। বিছানা ঝেড়ে ঘুমানোর মধ্যে অনেক উপকারিতা রয়েছে । বিছানার মধ্যে বিভিন্ন পোকামাকড় বিষাক্ত কোন জীবাণু থাকতে পারে । এজন্য বিছানা ঝেড়ে ঘুমানোর ব্যাপারে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যদি তোমাদের কোন ব্যক্তি ঘুমানোর জন্য বিছানায় যায় । সে যেন লুঙ্গির ভিতর দিয়ে ভালো করে বিছানা ঝেড়ে নেয়। কারণ সে জানে না যে , সে নাথাকা অবস্থায় কোন যন্ত্রণাদায়ক কোন কিছু আছে কিনা ।

দরজা বন্ধ করে ঘুমানো
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন যখন সন্ধ্যা হয়ে যায় , তখন তোমাদের সন্তান-সন্ততি ঘরের মধ্যে রাখ কেননা শয়তান ওই সময় ছড়িয়ে পড়ে। তবে একটু রাত অতিক্রম করে গেলে তখন আবার তাদেরকে ছেড়ে দাও। তবে রাতে দরজা বন্ধ করে দিবে তখন আর শয়তান দরজা খুলতে পারে না । আর তোমরা ঘুমানোর সময় আল্লাহর নাম নিয়ে ঘুমাও এবং তোমাদের যে পানির পাত্র রয়েছে সে পানির পাত্রের মুখ বন্ধ রাখো। যদি ঢাকার মতো কোনো পাত্র না থাকে তাহলে কমপক্ষে আড়াহারি করে বা উপরে কিছু একটা দিয়ে রাখবে (বোখারী)

ওযু অবস্থায় ঘুমানো
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘুমাতে যেতেন । অযু অবস্থায় ঘুমাতেন ।এজন্য আমাদের ঘুমানোর পূর্বে অজু করে ঘুমানো সুন্নত। আমার শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং আমার হাত পা , নাক , মুখ , জীবাণু মুক্ত থাকবে।

আয়াতুল কুরসি পরে ঘুমানো
রাসুলুল্লাহ সাঃ আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমানোর বিষয়ে গুরুত্ব ও তাগিদ দিয়েছেন । আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু একবার এক ব্যক্তিকে সদকার মাল চুরি করতে দেখলেন তখন তিনি তার হাত ধরে বললেন আল্লাহর শপথ আমি তোমাকে রাসুলের দরবারে নিয়ে যাব। সেই ব্যক্তি বলল আমাকে এইবারের মতো ছেড়ে দাও কথা অনুযায়ী ছেড়ে দিলেন
 

পরদিন সকালে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এই কথা বললেন জবাবে তিনি বললেন যে সে মিথ্যা বলেছে সে আবার আসবে। সে পরদিন রাতে আবার আসলো আবার তাকে ধরলেন ধরার পরে এবার নিয়ে যাবেই তিনি। এবারও অনুনয় বিনয় করে নিজেকে ছুটিয়ে নিলেন। তৃতীয় দিন আবারো সেই চোর আসলো এবার ক্ষমা করার কথা বললেন। তৃতীয়বার আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তাকে ছাড়লেন না ।তখন সে চোর বলল আমি একটা কথা বলে যাচ্ছি যদি তুমি এই আমলটা করো তাহলে তোমাকে আল্লাহ সব দিক থেকে কল্যাণ দান করবেন সেটা হল আয়াতুল কুরসি।

তুমি যখন রাতে ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমাবে তো আল্লাহ তায়ালা তোমার জন্য একজন ফেরেশতাকে নিযুক্ত করে দিবেন তোমার কাছে সকাল পর্যন্ত কোন শয়তান আসতে পারবে না। অতএব আমাদের আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমানো আবশ্যকীয়। সকালে নজর করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সব ঘটনা খুলে বললেন নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন সে শয়তান ছিল কিন্তু তোমাকে যে কথাটা বলেছে সেটা সত্য ।

সূরা কাফিরুন সূরা ফালাক সূরা ইখলাস সূরা নাস পড়া
সূরা কাফিরুন সূরা ফালাক সূরা ইখলাস সূরা নাস পড়া আমার নিরাপত্তার জন্য ।এই সূরা গুলোর আমল খুব গুরুত্বপূর্ণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি সকাল-বিকাল সূরা ফালাক ,নাস , ইখলাস , তিনবার পাঠ করবে এই সূরাগুলি তার সবকিছুর জন্য (নিরাপত্তার) যথেষ্ট হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘুমাতে যেতেন তখন এই সূরা গুলো পড়ে হাতে ফুক দিয়ে মুখসহ পুরা শরীরে বুলিয়ে দিতেন।

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া সুন্নত
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ে যে ঘুমাবে রাতের সমস্ত অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে বেঁচে থাকবে। এই দুই আয়াতের আমল সমস্ত অপ্রীতিকর ঘটনা বাঁচাতে অত্যন্ত কার্যকারী ।এজন্য আমাদের রাতে ঘুমানোর পূর্বে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ে ঘুমানো উচিত।
দোয়া পড়ে ঘুমানো
ঘুমানোর পূর্বে দোয়া পড়ে ঘুমানো উচিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে ঘুমাতে যেতেন নিজের ডান হাত ডান গালের নিচে রাখতেন এবং এই দোয়া পড়তেন (আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু অ আহইয়া) অর্থ হে আল্লাহ তোমার নামেই মৃত্যবরণ করি আর তোমার নামেই জীবিত হই।
যখন তিনি ঘুম থেকে জাগ্রত হতেন তখন এই দোয়া পড়তেনঃ (লহামদুলিল্লা হিল্লাজি আহইয়ানা বাদা"মা আমার তানা ওয়া ইলাইহীন নুসুর)

সূরা মূলক পড়া
সুরা মুলক তেলাওয়াত করা এবং ইস্তেগফার পড়া।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক তেলাওয়াত করবে সে কবরের আজাব থেকে মুক্তি পাবে। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা মূলক না পড়ে রাতে ঘুমাতেন না। এজন্য আমাদের উচিত সূরা এ মুল্ক তেলাওয়াত করে রাতে ঘুমানো ।

ঘুমানোর সময় ডান কাত হয়ে ঘুমানো
বারা ইবনে আজিবরাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত নবী করীম সাঃ যখন তিনি নিজ বিছানায় যেতেন তখন ডান কাধ হয়ে ঘুমাতেন এজন্য আমাদের উচিত ডান কাত হয়ে ঘুমানো ।এতে ভয়াবহ স্বপ্ন দেখা থেকে মুক্ত থাকে এবং হার্ট এর মত রোগ থেকে অনেকটাই বেঁচে থাকা যায়।

ঘরের বাতি নিভেয়ে ঘুমানো 
ঘুমানোর সময় ঘরের বাতি নিভেয়ে ঘুমানো সুন্নত। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন তোমাদের ঘুমানোর সময় তোমাদের ঘরের আগুনকে জ্বালিয়ে রেখোনা অর্থাৎ তোমাদের বাতি কে নিভিয়ে ঘুমাও। এখানে প্রশ্ন আসতে পারে আগের যুগে হারিকেন বা বাতি ছিল সেই বাতি অনেক সময় ঘরের মধ্যে ইঁদুর বা ছোচা ঢুকে বাতি ফেলে দিয়ে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে ।এখন তো লাইট, এর  জবাব হচ্ছে এখন ও অনেক গ্রাম রয়েছে যেগুলো বাতি হারিকেন রয়েছে । ঘুমাতে যাওয়ার আগে বাতি নিভিয়ে ঘুমাবেন ।


দ্বিতীয় জবাব যে আমাদের যে ইলেকট্রিক বাতি সেগুলো আমাদের নিভিয়ে ঘুমানো উচিত। কারণ আল্লাহতালা রাত্রিকে অন্ধকার বানিয়েছেন আমাদের আরামের জন্য দুচোখে ছটা লাগে তাহলে নিদ্রাটা ঐরকম শান্তিদায়ক হবে না।অতএব আমাদের বাতিকে নিভিয়ে ঘুমানো উচিতএবং বাতি নিভিয়ে জিরো বাল্ব দিয়ে ঘুমানো এটা স্বাস্থ্যসম্মত।

৩তসবি পড়ে ঘুমানো
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে তিন তাসবীহ অর্থাৎ ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ আলহামদুলিল্লাহ , ৩৪ আল্লাহু আকবার নির্দেশ দিয়েছেন । কারণ আল্লাহ তা'আলা এরশাদ করেছেন( সেজদা আদায়ের পরে তসবিহ পাঠ করো ) ।শুধু নামাজের পরই নয় সকাল-বিকাল এই তসবি আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই তাসবীহ কে তাসবীহ ফাতেমিয় বলে। কারণ রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা জল একজন দাসীর জন্য এসেছিলেন রাসূলে কারীম সাঃ উত্তরেএর চেয়ে কি উত্তম আমলের কথা বলবো । ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বললেন বলুন । রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বললেন ঘুমানোর পূর্বে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ ,৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ , ৩৪ বার আল্লাহু আকবার বলে ঘুমাবে এটা একটি দাসীর চেয়ে উত্তম। এটা এমন একটি তাজবিহ যেটা পড়ে যদি কেউ ঘুমায় সমস্ত রকমের ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

চোখে সুরমা লাগিয়ে ঘুমানো 
ঘুমানোর পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চোখের সুরমা লাগিয়ে ঘুমাতেন এজন্য চোখে সুরমা লাগিয়ে ঘুমানো সুন্নত। এতে চোখের যদি সমস্যা থাকে তাহলে চোখের সমস্ত সমস্যা দূরীভূত করতে সাহায্য করে।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে যে কাজগুলো করতে হবে

ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করতে হবে সেগুলো হলো
  • ঘুমানোর কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে খাবার কাজ শেষ করতে হবে।
  • ঘুমানোর সময় মানুষের শরীরে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এজন্য শয়ন কক্ষটা যাতে ঠান্ডা থাকে ঠান্ডা থাকে সেই দিকে বিশেষ দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • প্রতিদিন সময়মতো ঘুমাবেন ডাক্তারেরা বলেন সাড়ে দশ বা এগারোটার মধ্যে ঘুমিয়ে যান তাহলে ঘুম পুরা হয়ে যাবে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে
  • ঘুমানোর পূর্বে কমপক্ষে ৪০ কদম বা এর চেয়ে বেশি ১০ বা ১৫ মিনিট হাটাহাটি করে ঘুমাবেন। এতে গ্যাস্টিকের সমস্যা কম হবে ।
  • ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি লাইট ,মোবাইল ফোন , ইত্যাদি দেখে অর্থাৎ যেগুলো বন্ধ করে ,যেমন লাইট বন্ধ করে ঘুমাবেন । আর ফোন দূরে রাখুন।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে যে কাজগুলো করা যাবে না

  • সন্ধ্যা থেকে কফি , চকলেট অর্থাৎ ক্যাফেইন জাতীয় চা বা অন্যান্য খাবার খাবেন না । দুধ ইচ্ছা করলে খেতে পারেন ।
  • ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ধূমপান করা থেকে বিরত থাকুন।
  • কোন বিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘুমের ওষুধ থেকে বিরত থাকুন।
  • ঘুমানোর ঘরটা অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন। এবং ফাঁকা মেলা রাখবেন যাতে আলো বাতাস ঘরে প্রবেশ করতে পারে।
  • প্রয়োজন ছাড়া দিনের বেলা ঘুমাবেন না যদি খুব ক্লান্ত লাগে অল্প কিছু সময় ঘুমাতে পারেন।
  • ঘুমানোর সময় দুশ্চিন্তা নিয়ে ঘুমাবেন না ।

শেষ কথা

এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনি জানতে পেরেছেন ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো করা সুন্নত ।যদি আপনার কাছে এই আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে । তাহলে যারা জানেনা তাদের কাছে দয়া করে শেয়ার করুন। আর নতুন নতুন আর্টিকেল পেতে এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url