পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় জেনে নিন

 

প্রিয় পাঠক, আপনি পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় তা জানার জন্য অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছেন কিন্তু কোথাও এর সদুত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না। আমি  স্টেপ বাই স্টেপ পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় তা বিস্তারিতভাবে জানানোর চেষ্টা করব। যদি আপনি পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করণীয়  ও কোন পিল সবচেয়ে ভালো তা জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়তে থাকুন । আপনি আপনার প্রশ্নের সদুত্তর পেয়ে যাবেন যাবেন।
পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় জেনে নিন

প্রিয় পাঠক, এই আর্টিকেলে পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় এ সম্পর্কেই শুধু আলোচনা করা হয় নাই এছাড়াও আরো অনেক পয়েন্ট নিয়ে  আলোচনা করা হয়েছে সেই পয়েন্টগুলো যদি আপনি বিস্তারিত ভাবে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় জেনে নিন

ভূমিকা

অনেক সময় পিল খাওয়ার পর ও মাসিকের সমস্যা দেখা দেয় ঠিক মত মাসিক হয় না। সে ক্ষেত্রে আমাদের অনেক দুশ্চিন্তায় পড়ে যেতে হয়। অনেক কারণ এ মাসিক আটকে যায়,ঠিকমতো মাসিক হয় না। এবং আরো বিভিন্ন বিষয় এ আর্টিকেলটির মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, কোন পীর সবচেয়ে ভালো, ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার কত দিন পর মাসিক হয়, পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় ইত্যাদি অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি গুরুত্ব সহকারে এই আর্টিকেলটি পড়ুন এবং আপনি যা জানতে চাচ্ছেন তা এই আর্টিকেলটা সম্পূর্ণ পড়ে জেনে নিন।

পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয়

আপনি যদি সঠিক নিয়মে পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় এবং যদি এক মাস ২০ দিনের মধ্যে মাসিক না হয়। তাহলে আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তাছাড়া প্রেগনেন্সি টেস্ট করে আপনাকে জানতে হবে, যে আপনি গর্ভধারণ করেছেন নাকি।যদি আপনি গর্ভধারণ করে থাকেন তাহলে আপনার মাসিক বন্ধ হয়ে যাবে।এবং বাচ্চা হওয়ার পর থেকে মাসিক শুরু হবে। তাছাড়া প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে যদি দেখেন গর্ভধারণ করেননি, তাহলে ভালো ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। কারন এভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে থাকলে শরীরের অনেক ক্ষতি হয়।
এবং পরবর্তীতে গর্ভধারণের ক্ষমতা হারিয়ে যেতে পারে।অনেক সময় বিভিন্ন কারণে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়, যেমন জরায়ুতে টিউমার, জরায়ুতে ইনফেকশন ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। তাই আপনাকে ভালো ডাক্তার দেখিয়ে ভালোভাবে গুরুত্ব সহকারে ট্রিটমেন্ট নিতে হবে। অনেক সময় পিল খেলে মাসিক হতে সময় লাগে, চার সপ্তাহ পর্যন্ত দেখবেন এর মধ্যে মাসিক হয়ে গেলে ভালো না হলে প্রেগনেন্সি টেস্ট করান। 

আর একটা কারণে মাসিক বন্ধ হয়ে যেতে পারে সাদা পিল শেষ করার পর, লাল পিল খাওয়া শুরু করতে হবে।লাল পিল না খাওয়া পর্যন্ত মাসিক হয় না, যদি লাল পিল না খেয়ে আবার সাদা পিল শুরু করে, তাহলে মাসিক আটকে যাই।তাই ওষুধ নিয়ম অনুসারে খেতে হবে না হলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

কোন পিল সবচেয়ে ভালো

আমরা গর্ভধারণ এড়াতে বিভিন্ন রকমের পিল খেয়ে থাকি।কারণ এখন প্রতিটা মানুষই অধিক গর্ভধারণের ক্ষেত্রে অনেক সচেতন থাকে। পিল অথবা বিভিন্ন পদ্ধতিতে তারা গর্ভধারণ যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। অনেক কাল আগে থেকে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত মানুষ যে সকল পিল সেবন করতো সেগুলো হলো ,মিনিকন, সুখী, ফেমিকন আরো বিভিন্ন ধরনের পিল খেয়ে থাকে। এগুলো সরকারিভাবে ও এখন খুব সহজে পাওয়া যায়। এ সকল পিলের মূল্য অনেক কম থাকায় মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত মানুষেরা এটি ব্যবহার করে আসছে। 

এটি খাওয়ার ফলে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে,বমি বমি ভা,মাথা ঘোরা, ওজন বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু এখনকার মানুষ অনেক সচেতন, তাই বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া ওষুধ বের হয়েছে, যেগুলো সেবন করলে ওজন বৃদ্ধি হয় না। অনেক সময় যারা প্রথমবার ওষুধ খেতে শুরু করে ,তাদের তিন মাসের মত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তিন মাস পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তিন মাস পর শরীরে সুট হয়ে গেলে আর কোন সমস্যা হবে না। যে কোন পিল খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া ভালো।কারণ ডাক্তার ভালো বলতে পারবে যে আপনার শরীরের জন্য কোন পিল খাওয়া ভালো হবে।

ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার কত দিন পর মাসিক হয়

ইমারজেন্সি পিল আমরা অনেকে সেবন করে থাকি। কিন্তু অনেক সময় ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার পরেও মাসিক হয় না। ইমারজেন্সি পিল শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর নিয়মিত ইমারজেন্সি পিল সেবন করা নিষেধ।নিয়মিত ইমারজেন্সি পিল সেবন, করলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিবে। যেমন, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব,পেট ব্যথা ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।কেউ যদি ইমারজেন্সি পিল এক লাগালে খেতে থাকে তাহলে সে অসুস্থ হয়ে পড়বে।সে বাচ্চা ধারণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে কারণ এই ইমারজেন্সি পিল অতিরিক্ত পাওয়ারফুল যার কারণে,জরায়ুতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে।অনেক ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার সময় থাকে চব্বিশ ঘণ্টা। আবার অনেক ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার সময় থাকে তিন দিন । এর মধ্যে যদি ইমারজেন্সি পিল সেবন, করতে পারে তাহলে এই পিল গর্ভধারণ এড়াতে সাহায্য করবে।

কিন্তু যদি ডিম্বাণু জরায়ুতে ইতিমধ্যে প্রবেশ করে ফেলে তাহলে ইমারজেন্সি পিল খেয়েও কোন কাজ হবে না। যদি ডিম্বানো জরায়ুতে প্রবেশ না করে তাহলে ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার পর প্রতি মাসে যেভাবে মাসিক হয় সেভাবেই ইমারজেন্সি পিল খাওয়ার পরেও সেভাবে মাসিক হবে। পর অনেক সময় ৫-৬ দিন কম বেশি হতে পারে এতে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই।

পিল খাওয়ার কতদিন পর মাসিক হয়

যারা গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণের জন্য পিল খেয়ে থাকে তাদের নিয়মিত এই পিল সেবন করতে হবে। পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় কারণ এই পিল খেতে খেতে বাদ দেওয়া যাবে না বাদ দিলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে।অনেক সময় অনেকের একদিন পিল না খাওয়ার ফলে গর্ভধারণ হয়ে যায়। তাই কেউ যদি পিল খেয়ে গর্ভধারণ নিয়ন্ত্রণ করতে চাই তাহলে তাদের নিয়মিত এই পিল খেতে হবে। যাদের বাচ্চা হয়নি তাদের পিল না খাওয়াই ভালো।

কারণ, পিল খাওয়ার ফলে জরায়ুতে অনেক সমস্যা হয়।এতে গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যায়, তাই অনেক ডাক্তার বলে যাদের বাচ্চা হয়নি তাদের পিল খেতে নিষেধ করে কারণ, এখনকার মেয়েদের গর্ভধারণের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা হয়ে থাকে।আর যদি পিল খেতে হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা ভালো।যদি কেউ নিয়মিত পিল খেতে থাকে সাদা পিল খাওয়ার পর লাল পিল কয়েকটা খেতে থাকলে মাসিক হয়ে যায়।অনেক সময় পিল নিয়মিত না খাওয়াই কয়েকদিন আগে পরে মাসিক হতে পারে। 

পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় তা আমরা জানিনা পিল খাওয়ার পর মাসিক হবার কোন নির্দিষ্ট সময় থাকে না। কারণে শরীর যদি দুর্বল হয় অথবা প্রেসার যদি লো থাকে তাহলে অনেক সময় সময়ের আগে শরীর খারাপ হতে পারে। আবার অনেক সময় এক মাস পার হয়ে যাবার পর ও মাসিক হয় না এক মাস পার হয়ে ৬-৭ দিন পর ও মাসিক হয়। এতে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই এটা স্বাভাবিক কোন সমস্যা নয়। যারা পিল খায় তারা যদি নিয়মিত পিল খায় তাহলে ২৯ অথবা ৩০ দিনেই মাসিক হয়ে যায়।

পিল খেলে কি বাচ্চা হয় না

পিল যদি নিয়ম মেনে খেতে পারে তাহলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯% থাকে না। শুধু পিল খেলেই কাজ করবে তা নয়। এই পিল নিয়ম অনুসারে খেতে হবে যেমন, এই পিল মাসিক ভালো হয়ে সাদা স্রাব দেখা দিবে তখন পিল খাওয়া শুরু করতে হবে। এবং যদি কেউ সকালে পিল খায় তাহলে তাকে প্রতিদিন সকালেই পিল খেতে হবে। আবার অনেকেই রাতে পিল খেয়ে থাকে তাহলে তাকে প্রতিদিন রাতেই পিল খেতে হবে। আর কেউ যদি পিল ঠিকমতো না খায় রাতেরটা দিনে এবং দিনেরটা রাতে এভাবে পিল খেলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে। এই জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল শুকনো এবং ঠান্ডা জায়গায় রাখতে হবে।
রোদে অথবা গরম জায়গায় এই পিল রাখলে এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় শরীর অসুস্থ হলে যদি এন্টিবায়টিক খান তাহলে এই পিলের কার্যকারিতা কমে যায়।এতে আপনার গর্ভধারণের সম্ভাবনা থেকে যায়। অনেক সময় পিল খেতে ভুলে যাই এক্ষেত্রে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে। পিল খেলে বাচ্চা হয় না এটা ঠিক কথা কিন্তু এটা নিয়ম অনুসারে যদি খেতে পারে তাহলে পিল খেলে বাচ্চা হবে না। আর যারা মনে করে তারা পিল ঠিকমতো খেতে পারবে না অথবা ভুলে যাবে তাদের এই পিল না খাওয়াই ভালো এতে রিক্স থেকে যায়। তাদের অন্য ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

মন্তব্য

এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয়  ও কোন পিল সবচেয়ে ভালো ।যদি আপনার কাছে এই আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে তাহলে আর্টিকেলটি যারা পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে কি করনীয় জানে না তাদের কাছে শেয়ার করে দিন। আর নতুন নতুন আর্টিকেল পেতে নিয়মিত এই ওয়েবসাইটটি  নিয়মিত ভিজিট করুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url