ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে কতদিন সময় লাগে তা ভালোভাবে জানুন

প্রিয় পাঠক, আপনি ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে কতদিন সময় লাগে জানার জন্য অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছেন।কিন্তু কোথাও খুঁজে পাচ্ছেন না। আমি স্টেপ বাই স্টেপ এই বিষয়ে ভালোভাবে জানানোর চেষ্টা করব। আপনি যদি বিস্তারিত আরো অনেক বিষয় জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি  শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন আপনার কাঙ্খিত প্রশ্নের  সদুত্তর পেয়ে যাবেন।
ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে কতদিন সময় লাগে

পোস্ট সূচিপত্রঃ ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে কতদিন সময় লাগে তা ভালোভাবে জানুন

ভূমিকা

এই আর্টিকেলে ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে কতদিন সময় লাগে,মাথা ন্যাড়া করা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের পরামর্শ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি প্রতিটা পয়েন্ট বিস্তারিত ভাবে জানতে চান তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি খুব মনোযোগ সহকারে পড়ুন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন। তাহলে আপনি অনায়াসে আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে কতদিন সময় লাগে

আগেকার মানুষ মনে করত যে যত বেশি ন্যাড়া হওয়া যায়, চুল যেন তত বেশি ঘন হয়। এখনো অনেক মানুষের মধ্যে এই কুধারণা রয়েছে যে যত ন্যাড়া করা যায় তত চুল ঘন এবং বড় হয়। কিন্তু আসলে এটা ভুল ধারণা কারণ, এটি মানুষের কাছে প্রচলিত বিশ্বাস এবং সংস্কার আর ন্যাড়া করা বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা কোন প্রমাণই এখন পর্যন্ত পায় নাই। যে চুল ন্যাড়া করলে চুল বড় এবং ঘন হবে। যখন একটি বাচ্চা দুনিয়াতে জন্মগ্রহণ করে তখন জন্মের সময় এক লক্ষ থেকে এক লক্ষ বিশ হাজার চুলের বীজ অথবা ফলিকল নিয়েই জন্মগ্রহণ করে।
জন্মের সময় বাচ্চাদের অনেক চুল কম গজায় চুল কম গজালেও কয়েক বছরের মধ্যে তাদের চুল বীজ থেকে চুল গজিয়ে যাই। জন্মের পর আর কোন ফলিকল অথবা চুল বীজ নতুন করে তৈরি হয় না। প্রতিটা মানুষের যেমন একটি আয়ু থাকে তেমন প্রতিটা চুলের ও কিছু আয়ু কাল থাকে। ক্ষেত্র বিশেষ এটি ৪ থেকে ৫ বছর হয়ে থাকে। প্রতিটা মানুষ অথবা প্রাণীর যেমন শৈশব এবং বৃদ্ধকাল রয়েছে তেমনি চুলের ও বয়স অতিক্রম করে যাই। প্রতিটা প্রাণী যেমন বড় হওয়ার সময় স্বাস্থ্য খারাপ ও স্বাস্থ্য ভালো হয় তেমন চুল ও সবসময় তেমন স্বাস্থ্যবান থাকে না।

ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে যতদিন সময় লাগে

ন্যাড়া করার পর চুল গজাতে প্রায় ১ সপ্তা সময় লাগে। আবার অনেকের চুলের গ্রোথ বেশি হওয়ার কারণে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই খোঁচা খোঁচা চুল বেরিয়ে যায়। ন্যাড়া করার পর বের হতে খুব বেশি সময় লাগে না কিছুদিনের মধ্যেই চুল বড় হয়ে যায়। কারণ সেই সময় চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এর ফলে চুল ওঠার সমস্যাও কমে যায়।

মাথা ন্যাড়া করা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের পরামর্শ

নতুন একটা গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে মতামত দিয়েছেন যেঃ চুল যখন ন্যাড়া করা হয় তখন অনেক সময় অনেকে ভাবেন যে চুল বারবার ন্যাড়া করলে চুলের ফলি কল তৈরি হয় এবং চুল আরও গজিয়ে চুল ঘন হয়। আর তাই তারা বারবার চুল কামিয়ে বা ন্যাড়া করে কিন্তু এতে আরো বাচ্চাদের ব্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ ছোট বাচ্চারা যেমন এক দুই বছরের বাচ্চার ক্ষেত্রে মাথার ত্বকের নিচে যে সকল চুল না গজানো রয়েছে, সে সকল ফলিকল গুলো থেকে অনেক সময় চুল গজিয়ে থাকে।
কিন্তু প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এমন কোন আশঙ্কা থাকে না। চুল ন্যাড়া করে ফেলার অর্থ এই যে চামড়ার ওপরে যে চুলগুলো রয়েছে সেগুলো গোড়া থেকে কেটে ফেলে দেওয়া। আর এই ন্যাড়া করার ফলে মানুষ মনে করে যে, চুলের ফলিকল তৈরি হয় কিন্তু এটা ঠিক কথা নয়। চুল কম বেশি হওয়ার একটি কারণ রয়েছে সেটা হলো বংশীয় কারণ। আপনি যতবারই ন্যাড়া করেন না কেন, পরিবারের মতোই আপনার চুলের ধারা পাবেন। যখন কোন মানুষ ন্যাড়া হয়, তখন চুল বের হওয়ার পর দেখে মনে হয় যে চুল অনেক ঘন হবে কিন্তু সেটা মোটেও ঠিক নয়।

চুল ছোট ছোট থাকার কারণে দেখতে এমন মনে হয়। কারণ মাথার নিচের চুল গুলো যখন একটু বড় হয়। তখন দেখতে অনেক কালো লাগে চুলের গোড়া এবং আগা অনেক মোটা হয়,আর সেজন্যে দেখলে মনে হয় যেন নতুনভাবে অনেক চুল গজিয়েছে । চুল যখন আস্তে আস্তে বড় হয় তখন ঠিক আগের মতই হয়ে যায়, চুল সেই আগের চেহারায় চলে আসে। এর একমাত্র কারণ হলো চুলের ঘনত্ব কমে আসে, মাথার ত্বকের নিচে যে ফলিকল থাকে সেগুলো আস্তে আস্তে স্বাস্থ্য এবং সুন্দর্য হারাতে থাকে।
চুল যখন বড় হতে থাকে তখন পুরনো চুলগুলো সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এসে, আস্তে আস্তে কালো কালার হালকা হতে থাকে। কিন্তু ন্যাড়া করার কিছু সুবিধা রয়েছে যেমন অনেকের চুল অতিরিক্ত পড়ে যাই, কারণ চুলের গোড়ার বয়স বেড়ে যায় এর ফলে চুলের স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। ন্যাড়া করলে চুলের দৈর্ঘ্য একেবারে কমে যায়। তখন চুল ধরা বা চুল পড়া কমে যায়।

শেষ কথা

এই ওয়েবসাইটের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই, এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন।ন্যাড়া মাথায় চুল গজাতে কতদিন সময় লাগে এরকম আরো অনেক নতুন নতুন আর্টিকেল দেখতে চাইলে এই ওয়েবসাইটের সাথে থাকুন। আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং এই ওয়েবসাইটের আর্টিকেল পড়ার সুযোগ করে দিন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url