গরুর রচনা সহজ ও ভালোভাবে জেনে নিন

প্রিয় পাঠক আপনি গরুর রচনা সুন্দর ভাবে জানার জন্য অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছেন কিন্তু কোথাও বিন্যস্ত ভাবে কোথাও খুঁজে পাচ্ছেন না আমি স্টেপ বাই স্টেপ গরুর রচনা সুন্দরভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করব। যদি আপনি গরুর রচনা ও তার আকার ও আকৃতি ভালোভাবে জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব মনোযোগ সহকারে পড়ুন আশা করি আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
গরুর রচনা সহজ ও ভালোভাবে জেনে নিন

প্রিয় পাঠক এই আর্টিকেলে শুধু গরুর রচনাই আলোচনা করা হয় নাই এছাড়াও আরোঅনেক পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ও এজাতীয় আরো অনেক লিংক দেওয়া হয়েছে যদি আপনি সে পয়েন্টগুলো কলিংগুলো বিস্তারিতভাবে জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

সূচনা

সূচনাঃগরু একটিগৃহপালিত পশু। গরুর গৃহপালিত পশু ।গৃহস্থলীর কাজে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাণী.। গরু আমাদের নানা উপকারে আসে। আমরা লাঙ্গল চাষ করে থাকি।এর দ্বারা আমরা গাড়ি বহন করি মালামাল এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া আসা করি এছাড়াও অনেক কাজে আমাদের লাগে। গরু প্রাণী হিসেবে শান্ত শিষ্ট ও নিরীহ প্রাণী।

আকার ও আকৃতি

আকার ও আকৃতিঃ গরুর চারটি পা রয়েছে । যেইপা দিয়ে গরু চলাচল করে ।দুটি সিং রয়েছে। যে সিং দিয়ে নিজের আত্মরক্ষা করে অর্থাৎ কোন প্রাণী আক্রমণ করলে গরুর শিং দ্বারা সে প্রতিহত করে । গরুর দুইটি লম্বা কান রয়েছে যে কান দ্বারা শ্রবণ করে ,একটি দীর্ঘ লেজ রয়েছে। যেই লেজ দিয়ে গরু তার শরীরকে রক্ষা করে অর্থাৎ মশা মাছি পোকামাকড় থেকে তার শরীরকে রক্ষা করে ।
গরুর শরীর লমে ঢাকা থাকে লোমের কালার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। কোন গরুর লোম সাদা , কোন গরুর লোম লাল , কোন গরুর লম বাদামী , কোন গরুর লোম ছাই কালার ইত্যাদি । ৪ থেকে ৫ হাত দৈর্ঘ্য আকৃতি হয়ে থাকে ও প্রস্তু তিন চার তিন চার হাত হয়ে থাকে । তার সামনে একটি মাথা রয়েছে। গরু এমন একটি প্রাণী যা বিশ্বের কম বেশি সব দেশেই পাওয়া যায় ।

 প্রকৃতি

প্রকৃতিঃগরু একটি শান্ত খুব নিরীহ প্রাণী ।তার গলায় মাথায় গায়ে হাত বুলালেই সে পোষ মেনে যায় , তাকেএকটু খাবার দিলে মালিকের ভক্ত হয়ে যায় , গরু গাড়ি চালানোর সময় যেদিকে নির্দেশ করা হয় সেদিকে সে চলতে থাকে । লাঙ্গল বহন করার সময় সে ,সুন্দরভাবে রাখালের কথা মেনে নাঙ্গল বহন করে। কি অপরূপ দৃশ্য আল্লাহর। গরু চাইলে মানুষকে ডিস মেরে মেরে ফেলতে পারে কিন্তু সে তা করে না ।সে মানুষের কথাই শুনে চলে।

খাদ্য

খাদ্যঃ গরু সবুজ শ্যামল ঘাস খায় ঘাস খায় , এখন আধুনিকভাবে বিভিন্ন ধরনের ঘাস পেরিয়েছে যেমন নেপিয়ার আরো অনেক ধরনের ঘাস যেগুলো গরুকে খাওয়ালে গরু স্বাস্থ্য ভালো থাকে , খরকুটা , ভাতের মার অত্যন্ত পছন্দ করে । চাল ধোঁয়া পানি, ভাতের মাড় , পানির মধ্যে লবণ বিভিন্ন ধরনের ভুসি মিশিয়ে দিলে খুব ভালো খায় ।শুকনো জাতীয় দানা খেয়ে থাকে।

উপকারিতা

উপকারিতাঃগৃহপালিত পশু গরু থেকে আমরা অনেক উপকার পেয়ে থাকি। আমরা গরু  লালন পালন করে ও মোটাতাজা করে বাজারে বিক্রি করে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারি। এছাড়াও দুধ থেকে ছানা, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি , বিভিন্ন ধরনের পায়েস , বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করে আমরা খাই ও বাজারে বিক্রি করে থাকি। বলদ বা ষাঁড় গরু দ্বারা আমাদের জমির চাষের কাজে আমরা ব্যবহার করে থাকি লাঙ্গল বহন করে থাকি।
 আমরা গ্রামগঞ্জে মালামাল এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া ও নিয়ে আসারজন্য গরুর গাড়ি ব্যবহার করে থাকি । এছাড়াও গরুর গোবর আমাদের কৃষি ক্ষেত্রে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করে থাকি , এতে ফসল খুব ভালো হয়ে থাকে । আমরা বাঙালি গরুর গোশত খুব পছন্দ করি যার কারণে দাম ৭০০ টাকা হলেও আমরা কিনে খেয়ে থাকি।

উপসংহার

উপসংহারঃ গরু আমাদের অনেক উপকারে আসে এত উপকার পাওয়া সত্ত্বেও আমরা গরুর প্রতি অনীহা ভাব সৃষ্টি করে থাকি , আমরা গরুর ঠিকমতো যত্ন নিই না। তাকে ঠিকমতো খাবার দিই না আমাদের উচিত যে প্রগতি সহনশীল ও সদয় আচরণ করা তা যত্নের প্রতি খেয়াল রাখা , খাবারের প্রতি খেয়াল রাখা , তাকে কষ্ট না দেওয়া ।কারণ সে একটি মাখলুক নবী বলেন যে জমিন ওয়ালার উপর দয়া করবে আল্লাহ তাআলা তার উপর দয়া করবে। অতএব আমাদের গরু পালনের উপর উৎসাহিত হতে হবে তাহলে আমরা বিভিন্নভাবে উপকৃত হওয়ার সাথে সাথে আর্থিকভাবেও উপকৃত হতে পারব।

শেষ কথা

এই আর্টিকেলটি পাড়ার মাধ্যমে আপনি গরুর রচনা বিস্তারিত ভাবে জানতে পেরেছেন। যদি আপনার কাছে আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে তাহলে যারা বাযে সমস্ত ছাত্র ভাইয়েরা গরুর রচনা ভালোভাবে জানে না ও লিখতে পারে না তাদের কাছে দয়া করে শেয়ার করে দিন ।আর নতুন নতুন আর্টিকে পেতে এই ওয়েবসাইট কি নিয়মিত ভিজিট করুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url